ঘোষগ্রামে মা লক্ষ্মীর মেলা

এবছর 5টি দিন লক্ষ্মীবার পড়েছে-- 17, 24, 31 ডিসেম্বর 2020 এবং 7, 14 জানুয়ারি 2021 
ঘোষগ্রামে মা লক্ষ্মীর পূজা উপলক্ষ্যে প্রতিবছর মেলাও বসে । বঙ্গনারীর শাঁখের ডাকে মা লক্ষ্মী বিরাজ করেন বাঙলার প্রত্যেক ঘরে ঘরে 


 

মেলায় লক্ষ্মীপূজা উপলক্ষ্যে প্রচুর অস্থায়ী দোকান বসে  পূজার জন্য নানান উপকরণের ডালার দোকান  খাবারের দোকান--- মুড়ি, বেগুনী, চপ, আলুর দোম, ঘুগনি, রসগোল্লা, সন্দেস, কালোজাম, খাজা, গজা, জিলেপি, পাঁপড় ইত্যাদি  মেলাটি গ্রামীণ মেলা  কামারশালার তৈরি বিভিন্ন ধাতব যন্ত্র দ্রব্য, কড়াই খুন্তি থেকে হাতা, বঁটি সমস্তই বিক্রি হয়  কাঠের পুতুল, হাতা, আসবারপত্রও পাওয়া যায় 



এমেলায় পাথরের তৈরি শিল, নোড়া তাও পাওয়া যায়  মাটির তৈরি পুতুল, পাতনা, সড়া, মালসা, পাক-খোলা ইত্যাদি  লক্ষ্মীর ঝাঁপি, দুধ-কড়ি, বুজ-কড়ি, মা লক্ষ্মীর ছবি সব থেকে বেশি বিক্রি হয়  


বঙ্গনারীর শাঁখের ডাকে মা লক্ষ্মী বিরাজ করেন বাঙলার প্রত্যেক ঘরে ঘরে 


Comments

Town Tarapith Rampurhat

আঞ্চলিকতাই আন্তর্জাতিক দর্পণ ।। ড. সুরঞ্জন মিদ্দে । 'রামপুরহাটের ইতিহাস' গ্রন্থটি আঞ্চলিক ইতিহাস চর্চার আদর্শ উদাহরণ।

গ্রন্থালোচনা : রামপুরহাটের ইতিহাস, দক্ষিণের কড়চায় প্রকাশ । ---সবকিছুরই খুঁটিনাটি রয়েছে বইতে। কাঞ্চিদেশ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত বইটিকে এক কথায় রামপুরহাট পরিক্রমা বলা যেতে পারে।

শহর রামপুরহাট বীরভূমের একটি উল্লেখযোগ্য স্থান ।। ড. বীরেশ্বর সিংহ ।। শ্যামচাঁদ বাগদি তার রামপুরহাটের ইতিহাস গ্রন্থে এই শহরকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চিত্রিত করেছেন । এই গ্রন্থটি রামপুরহাটের সামগ্রিক বিষয়ে একমাত্র এবং প্রথম গবেষণা গ্রন্থ ।

বীরভূম : ধন দেবী মহালক্ষ্মী

বাসন্তী দেবী এবং মহিষাসুর-বধ দেবী রূপ এক নয় । 'দুর্গা মহামায়া' প্রভাবেন । মহালয়া বিষয়ে তথ্যঋদ্ধ লেখাটি লিখেছেন অবসরপ্রাপ্ত সংস্কৃত শিক্ষক অনাথবন্ধু ভট্টাচার্য্য মহাশয় । । বাসন্তী পূজার উদ্ভবই মূল দুর্গোত্সব ।

আঞ্চলিক ইতিহাস রচনার গুরুত্ব অপরিসীম ।। ড. অনিমেষ চট্টোপাধ্যায় । আঞ্চলিক ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে শ্যামচাঁদ বাগদির রামপুরহাটের ইতিহাস এক উল্লেখযোগ্য সংযোজন ।

মহারাজ নন্দকুমারের রাজবাড়ি ভদ্রপুর