মহারাজ নন্দকুমারের রাজবাড়ি ভদ্রপুর

বীরভূমে ভদ্রপুর রাজবাড়ির পশ্চিম দিকে বিশাল এক ফটক দরজা  মহারাজ নন্দকুমার হাতির পিঠে চড়ে রাজবাড়ির ভেতরে প্রবেশ করতেন । 


 রাজবাড়িতে বিশাল আকারে সুন্দর গোছানো সভাকক্ষ ছিল  সভাকক্ষের দক্ষিণ দিকে তাঁর রাজসিংহাসন  ঐ সিংহাসনে বসে মহারাজ সভাপরিচালনা বিচার করতেন  রাজবাড়িটি তিন চত্বর  অন্দর মহল  রান্নাশাল  রাজবাড়ির কাছেই জল্লী পুষ্করিণী  রাজবাড়ির পুষ্করিণীর পাড়ে ভাঙা অবস্থায়  এখনো কিছুটা  পুরনো পাকা পাঁচিল দেখা যায়  এই পাঁচিলটি দিয়ে ঘেরা ছিল রাজবাড়ি  ।  রাজবাড়ির উত্তর-পশ্চিম কোণে বহু প্রাচীন দুর্গামন্দির ছিল সেটিও ধ্বংসের মুখে   রাজপ্রাসাদ ভগ্নস্তূপে ও আগাছায় পূর্ণ   মহারাজ নন্দকুমারের বংশধরগণ এখানে বসবাস করেন 

পথনির্দেশ :  রামপুরহাট থেকে ভদ্রপুর রুট বাসে, বা মোড়গ্রাম থেকে ভদ্রপুর বাসে চড়ে ভদ্রপুর গ্রামে আসা যায় 



 

Comments

Town Tarapith Rampurhat

আঞ্চলিকতাই আন্তর্জাতিক দর্পণ ।। ড. সুরঞ্জন মিদ্দে । 'রামপুরহাটের ইতিহাস' গ্রন্থটি আঞ্চলিক ইতিহাস চর্চার আদর্শ উদাহরণ।

গ্রন্থালোচনা : রামপুরহাটের ইতিহাস, দক্ষিণের কড়চায় প্রকাশ । ---সবকিছুরই খুঁটিনাটি রয়েছে বইতে। কাঞ্চিদেশ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত বইটিকে এক কথায় রামপুরহাট পরিক্রমা বলা যেতে পারে।

শহর রামপুরহাট বীরভূমের একটি উল্লেখযোগ্য স্থান ।। ড. বীরেশ্বর সিংহ ।। শ্যামচাঁদ বাগদি তার রামপুরহাটের ইতিহাস গ্রন্থে এই শহরকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চিত্রিত করেছেন । এই গ্রন্থটি রামপুরহাটের সামগ্রিক বিষয়ে একমাত্র এবং প্রথম গবেষণা গ্রন্থ ।

বীরভূম : ধন দেবী মহালক্ষ্মী

বাসন্তী দেবী এবং মহিষাসুর-বধ দেবী রূপ এক নয় । 'দুর্গা মহামায়া' প্রভাবেন । মহালয়া বিষয়ে তথ্যঋদ্ধ লেখাটি লিখেছেন অবসরপ্রাপ্ত সংস্কৃত শিক্ষক অনাথবন্ধু ভট্টাচার্য্য মহাশয় । । বাসন্তী পূজার উদ্ভবই মূল দুর্গোত্সব ।

আঞ্চলিক ইতিহাস রচনার গুরুত্ব অপরিসীম ।। ড. অনিমেষ চট্টোপাধ্যায় । আঞ্চলিক ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে শ্যামচাঁদ বাগদির রামপুরহাটের ইতিহাস এক উল্লেখযোগ্য সংযোজন ।