আঞ্চলিক ইতিহাস রচনার গুরুত্ব অপরিসীম ।। ড. অনিমেষ চট্টোপাধ্যায় । আঞ্চলিক ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে শ্যামচাঁদ বাগদির রামপুরহাটের ইতিহাস এক উল্লেখযোগ্য সংযোজন ।
বৃহত্তর ইতিহাস রচনার উপাদান পাওয়া যায় আঞ্চলিক ইতিহাস থেকে । এদিক থেকে আঞ্চলিক ইতিহাস রচনার গুরুত্ব অপরিসীম । আঞ্চলিক ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে শ্যামচাঁদ বাগদির ‘রামপুরহাটের ইতিহাস’ এক উল্লেখযোগ্য সংযোজন । তিনি অশেষ পরিশ্রম করে বর্ধিষ্ণু জনপদ রামপুরহাটের সার্বিক ইতিহাস উদ্্ঘাটিত করেছেন । এ ব্যাপারে পুঁথিগত সাহায্য তেমন পাননি বলেই রচনাটি যথেষ্ট মৌলিক হয়ে উঠেছে । ঐতিহাসিকের মির্মোহ দৃষ্টি তাঁর সহায়ক হয়েছে । রামপুরহাটের আদিকাহিনী চিত্তাকর্ষক । অবশ্য নামকরণের দিকে তাঁর ইঙ্গিত তর্কাতীত নয় । রামপুরহাটের অবস্থান, ভৌগোলিক পরিবেশ, জনপদের বিবর্তনের ইতিহাস আছে । গান্ধীজীর অসহযোগ আন্দোলন, ছিয়াত্তরের মন্বন্তর, সাঁওতাল বিদ্রোহ, বর্গী হাঙ্গামা, শোষক ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রামের ইতিহাস মেলে । ধর্মঠাকুরের পূজা অধ্যায়টি রীতিমত গবেষণা মূলক লেখা-- সীহবাহু নিয়ে তাঁর অনুমান প্রণিধানযোগ্য । বামাক্ষ্যাপার সঙ্গে রামপুরহাটের আত্মিকযোগ, কড়কড়িয়া গ্রামে পান, দুলুবাবুর সিনেমা ব্যবসা, গোপিকাবিলাস ও গুরুসদয় দত্তের কর্মকাণ্ড, আর্থ সামাজিক বিন্যাস, আদি রামপুরহাটের সমাজচিত্র ইত্যাদির সুচারু উল্লেখ পাই । খাদ্যাভাস ও রন্ধ...