গ্রন্থালোচনা : রামপুরহাটের ইতিহাস, দক্ষিণের কড়চায় প্রকাশ । ---সবকিছুরই খুঁটিনাটি রয়েছে বইতে। কাঞ্চিদেশ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত বইটিকে এক কথায় রামপুরহাট পরিক্রমা বলা যেতে পারে।


আচার্য দীনেশচন্দ্র সেন থেকে তারাপদ সাঁতরা— আঞ্চলিক ইতিহাস চর্চার একটি ধারা বাংলায় চিরকালই রয়েছে। ‘রামপুরহাটের ইতিহাস’ বইটি রচনা করে শ্যামচাঁদ বাগদী হয়তো সেই ধারাটিকেই স্পর্শ করতে চেয়েছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় রামপুরহাট সংলগ্ন সুঁড়িচুয়াতে বিমানঘাঁটির কথা, সেখানের কামানের শব্দ— এ সব চমকপ্রদ তথ্য রয়েছে বইতে। এ ছাড়াও স্থানীয় হাট, মহাজনপট্টি, শহরের অলি-গলি, সমাধিস্থল— সবকিছুরই খুঁটিনাটি রয়েছে বইতে। লেখক খেটে সংগ্রহ করেছেন চালধোয়ানি পুকুর, রটন্তিকালী পুজো, চার্লস হ্যামটন ও সাঁওতাল বিদ্রহের অভিঘাত সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য। উপরি পাওনা বইয়ের সঙ্গে সংযোজিত বেশ কয়েকটি ছবি। কাঞ্চিদেশ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত বইটিকে এক কথায় রামপুরহাট পরিক্রমা বলা যেতে পারে। 


রামপুরহাটের ইতিহাস, শ্যামচাঁদ বাগদী
প্রকাশ : Anandabazar দক্ষিণের কড়চা, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

Comments

Town Tarapith Rampurhat

আঞ্চলিকতাই আন্তর্জাতিক দর্পণ ।। ড. সুরঞ্জন মিদ্দে । 'রামপুরহাটের ইতিহাস' গ্রন্থটি আঞ্চলিক ইতিহাস চর্চার আদর্শ উদাহরণ।

শহর রামপুরহাট বীরভূমের একটি উল্লেখযোগ্য স্থান ।। ড. বীরেশ্বর সিংহ ।। শ্যামচাঁদ বাগদি তার রামপুরহাটের ইতিহাস গ্রন্থে এই শহরকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চিত্রিত করেছেন । এই গ্রন্থটি রামপুরহাটের সামগ্রিক বিষয়ে একমাত্র এবং প্রথম গবেষণা গ্রন্থ ।

বীরভূম : ধন দেবী মহালক্ষ্মী

বাসন্তী দেবী এবং মহিষাসুর-বধ দেবী রূপ এক নয় । 'দুর্গা মহামায়া' প্রভাবেন । মহালয়া বিষয়ে তথ্যঋদ্ধ লেখাটি লিখেছেন অবসরপ্রাপ্ত সংস্কৃত শিক্ষক অনাথবন্ধু ভট্টাচার্য্য মহাশয় । । বাসন্তী পূজার উদ্ভবই মূল দুর্গোত্সব ।

আঞ্চলিক ইতিহাস রচনার গুরুত্ব অপরিসীম ।। ড. অনিমেষ চট্টোপাধ্যায় । আঞ্চলিক ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে শ্যামচাঁদ বাগদির রামপুরহাটের ইতিহাস এক উল্লেখযোগ্য সংযোজন ।

মহারাজ নন্দকুমারের রাজবাড়ি ভদ্রপুর