বীরভূমে জঙ্গলের বনভূমে শিবপুর গ্রাম। দূষণ মুক্ত, কোলাহল মুক্ত শান্ত প্রকৃতির পরিবেশে শিবপুর সবারই ভালো লাগে। শিবপুর বনবাসী কালী বৈষ্ণবমতে দেবী পূজিতা। ছোটবেলায় বামাখ্যাপা মলুটী যাবার পথে এই জঙ্গলেও আসতেন।

শিবপুর গ্রামের পরিবেশ প্রকৃতির মনভোলানো মায়াবিনী সবুজ জঙ্গলে ঘেরা। বীরভূমে জঙ্গলের বনভূমে শিবপুর গ্রাম। বিগত পঞ্চাশ বছর আগে দিন দুপুরে বাঘ ভাল্লুক বন্যপ্রাণীদের চলাচল ছিল। এই বন্যময় জায়গাটি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ফরেস্ট অঞ্চল। জঙ্গলে বিভিন্ন ছোট ছোট প্রাণীদের বিচরণক্ষেত্র। গাছ বনের মধ্যে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে। অজস্র বাহারী অচেনা গাছেদের ভিড়ে পতঙ্গ, রঙিন প্রজাপতিদের আনাগোনা। বনের বিভিন্ন ছন্দময় পাখিদের নাচ গানে পথিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।আমলকী, বেল, পিয়াল, হরিতকী, বহরা, শাল, মহুয়া, বৈঁচি, আম, করচা আরো চেনা অচেনা গাছে সারা বনময় আনন্দের পরিবেশ।  সবুজের আহ্বান।

এখানে গ্রামের মানুষজন সরল বিশ্বাসী. অতিথি সেবার জন্য সর্বদা ব্যস্ত। শোনা যায় বেশ কয়েক বছর আগে রতন শাহু নামে এক ধর্মপ্রান ভদ্রলোক এই বনে একটি আশ্রম তৈরি করেছিলেন। তিনি এখানকার ফরেস্টে কাজ করতেন।

এখানকার মানুষজন বলে থাকেন, ছোটবেলায় বামাখ্যাপা মলুটী যাবার পথে এই জঙ্গলেও আসতেন

শিবপুরে বনবাসী মাকালীর বাড়ী। বৈষ্ণবমতে দেবী পূজিতা। 

ঘন জঙ্গলময় শিবপুর গ্রামের মাকালীকে দর্শন ও পুজো দিতে অনেক ভক্তবৃন্দের ভিড়। দূর দেশের অনেক অতিথি শিবপুর গ্রামে উপস্থিত হচ্ছেন, বায়ু পরিবর্তনের জন্যে বেশ ভালো আর একটি জায়গা। অনেক অতিথি বেশ কিছু দিন এখানে বিশ্রাম নিয়ে থাকেন। দূষণ মুক্ত, কোলাহল মুক্ত শান্ত প্রকৃতির পরিবেশে শিবপুর সবারই ভালো লাগে।

পথ নির্দেশঃ রামপুরহাট থেকে বা সিউড়ি থেকে হাইরোড় ধরে মল্লারপুর বটতলা (মল্লারপুর কলেজ মোড়) স্টপেজ পাশেই ম্যানেজার পাড়া হয়ে বনবাসিনী কালী মায়ের মন্দির যাওয়া যায়

 এখানে আসার জন্যে যোগাযোগ করতে পারেন সাধক লক্ষ্মণ ঘোষের সঙ্গে, উনার ফোন নাম্বার 9547244942

Comments

Town Tarapith Rampurhat

আঞ্চলিকতাই আন্তর্জাতিক দর্পণ ।। ড. সুরঞ্জন মিদ্দে । 'রামপুরহাটের ইতিহাস' গ্রন্থটি আঞ্চলিক ইতিহাস চর্চার আদর্শ উদাহরণ।

গ্রন্থালোচনা : রামপুরহাটের ইতিহাস, দক্ষিণের কড়চায় প্রকাশ । ---সবকিছুরই খুঁটিনাটি রয়েছে বইতে। কাঞ্চিদেশ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত বইটিকে এক কথায় রামপুরহাট পরিক্রমা বলা যেতে পারে।

শহর রামপুরহাট বীরভূমের একটি উল্লেখযোগ্য স্থান ।। ড. বীরেশ্বর সিংহ ।। শ্যামচাঁদ বাগদি তার রামপুরহাটের ইতিহাস গ্রন্থে এই শহরকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চিত্রিত করেছেন । এই গ্রন্থটি রামপুরহাটের সামগ্রিক বিষয়ে একমাত্র এবং প্রথম গবেষণা গ্রন্থ ।

বীরভূম : ধন দেবী মহালক্ষ্মী

বাসন্তী দেবী এবং মহিষাসুর-বধ দেবী রূপ এক নয় । 'দুর্গা মহামায়া' প্রভাবেন । মহালয়া বিষয়ে তথ্যঋদ্ধ লেখাটি লিখেছেন অবসরপ্রাপ্ত সংস্কৃত শিক্ষক অনাথবন্ধু ভট্টাচার্য্য মহাশয় । । বাসন্তী পূজার উদ্ভবই মূল দুর্গোত্সব ।

আঞ্চলিক ইতিহাস রচনার গুরুত্ব অপরিসীম ।। ড. অনিমেষ চট্টোপাধ্যায় । আঞ্চলিক ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে শ্যামচাঁদ বাগদির রামপুরহাটের ইতিহাস এক উল্লেখযোগ্য সংযোজন ।

মহারাজ নন্দকুমারের রাজবাড়ি ভদ্রপুর